হ্যান্ডপেইন্টিং হল ডিজিটাল উপায়
বা স্টেনসিলের উপর নির্ভর না করে ব্রাশ, আঙ্গুল বা অন্যান্য সরঞ্জাম ব্যবহার করে সরাসরি
পৃষ্ঠে পেইন্ট প্রয়োগ করে ভিজ্যুয়াল আর্টওয়ার্ক তৈরি করা। এই কৌশলটি প্রাচীন ঐতিহ্যের
মধ্যে নিহিত, যা শিল্পীদের অনন্য টেক্সচার, শৈলী এবং ব্রাশস্ট্রোকের মাধ্যমে তাদের
সৃজনশীলতা এবং আবেগ প্রকাশ করে থাকে। এটি ক্যানভাস, ফ্যাব্রিক, সিরামিক, কাঠ, কাচ বা
দেয়ালের মতো বিভিন্ন পৃষ্ঠ ব্যবহার করে অঙ্কণ করা যায়। হ্যান্ডপেইন্টিংয়ের মূল উপাদান
হল এর ব্যক্তিগত স্পর্শ—প্রতিটি অংশই এক-এক ধরনের, শিল্পীর স্বতন্ত্র শৈলী এবং অভিব্যক্তি
বহন করে।
কিভাবে হ্যান্ডপেইন্টিং শুরু করবেন?
হ্যান্ডপেইন্টিং দিয়ে শুরু করা
একটি সৃজনশীল যাত্রা যার জন্য অনুশীলন, ধৈর্য এবং পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রয়োজন। আপনি
হ্যান্ডপেইন্ট শুরু করার আগে নিম্নোক্ত ধাপগুলো অনুসরণ করতে পারেনঃ
১. মাধ্যম নির্বাচন করাঃ
আপনি কি ধরনের মাধ্যম বা মিডিয়া
ব্যবহার করে হ্যান্ডপেইন্টিং করতে চান তা নির্ধারণ করুন। সাধারণ মাধ্যমগুলির মধ্যে
রয়েছে:
Ø জলরঙঃ এর নরম, তরল এবং স্বচ্ছ প্রভাবের জন্য পরিচিত।
Ø এক্রাইলিক পেইন্টঃ বহুমুখী এবং দ্রুত-শুকানো, নতুনদের জন্য আদর্শ।
Ø অয়েল পেইন্টঃ ধীরগতিতে শুকানো, বিশদ মিশ্রণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
Ø এক্রামিন কালারঃ প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করা যেতে পারে।
Ø ফ্যাব্রিক পেইন্টঃ জামাকাপড়, বাড়ির সাজসজ্জা ইত্যাদি ডিজাইনের
জন্য পারফেক্ট।
২. সরঞ্জাম সংগ্রহ করাঃ
হ্যান্ডপেইন্ট শুরু করার জন্য আপনার
যে সকল মৌলিক বিষয়গুলির প্রয়োজন হবে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, বিভিন্ন আকারের ব্রাশ,
একটি প্যালেট, জল বা রং পাতলা করার ক্যামিক্যাল, আঁকার জন্য একটি পৃষ্ঠ (ক্যানভাস,
কাগজ, কাঠ, বা ফ্যাব্রিক) এবং আপনার নির্বাচিত পেইন্ট।
৩. মৌলিক কৌশল শিখুনঃ
হ্যান্ডপেইন্ড শেখার শুরুতে আপনাকে
অবশ্যই পেন্সিল স্কেচ শিখতে হবে। তারপর আপনাকে প্রাথমিক স্ট্রোক অঙ্কণ এবং সাথে রং
মিশ্রণ কৌশলও শিখতে হবে। উদাহরণস্বরূপ:
Ø ব্রাশওয়ার্কঃ বিভিন্ন স্ট্রোক অনুশীলন করুন - পাতলা, পুরু, ড্যাবিং
বা ঘূর্ণায়মান।
Ø রঙের মিশ্রণঃ রঙের চাকাটি বুঝুন এবং অনন্য শেড তৈরি করতে রঙের
মিশ্রণের সাথে পরীক্ষা করুন।
Ø লেয়ারিংঃ গভীরতা এবং মাত্রা তৈরি করতে কীভাবে পেইন্টগুলি স্তর
করতে হয় তা শিখুন।
Ø ওয়েট অন ওয়েট/ওয়েট অন ড্রাইঃ এই ধরনের টেকনিকগুলো জলরঙ এবং
তৈলচিত্রে মুখ্য।
৪. সহজ শুরু করুনঃ
সহজ ডিজাইন বা বিমূর্ত শিল্প তৈরি
করে শুরু করুন, আপনার সরঞ্জাম এবং পেইন্টগুলি আয়ত্ত করার উপর ফোকাস করুন। ধীরে ধীরে,
আপনি আত্মবিশ্বাস তৈরি করার সাথে সাথে ল্যান্ডস্কেপ, ফুল বা প্রতিকৃতির মতো আরও বিস্তারিত
বিষয়গুলিতে যান।
৬. অনুপ্রেরণা এবং অনুশীলনঃ
অনুপ্রেরণার বিভিন্ন উৎস অন্বেষণ
করুন, তা প্রকৃতি, স্থাপত্য বা আবেগই হোক না কেন। আপনার হাত-চোখের সমন্বয়, ব্রাশ নিয়ন্ত্রণ
এবং সামগ্রিক পেইন্টিং শৈলী উন্নত করতে নিয়মিত অনুশীলন করুন। আপনি অনুপ্রেরণার জন্য
বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বিভিন্ন গ্রুপে যুক্ত হতে পারেন। সেখানে আপনি অন্যদের
ডিজাইন দেখে অনুপ্রেরণা নিতে পারেন। অথবা ইন্সাটাগ্রাম বা পিন্টারেস্ট দেখে নতুন নতুন
ডিজাইন সম্পর্কে ধারণা নিতে পারেন।
হ্যান্ডপেইন্টিংয়ের উপাদানগুলি কী কী?
হ্যান্ডপেইন্ট করার শুরুতে আপনার
যে সকল মূল উপাদান প্রয়োজন, সেগুলো নিম্নরুপঃ
১. রঙঃ
রঙ হ্যান্ডপেইন্টিংয়ের অন্যতম
গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। রঙের পছন্দ, তাদের সংমিশ্রণ এবং বৈপরীত্যগুলি আপনার ডিজাইনের
গ্রহনযোগ্যতা তৈরি করে, আবেগ জাগিয়ে তোলে এবং আর্টওয়ার্ক জুড়ে দর্শকের চোখকে প্রভাবিত
করে। ভারসাম্যপূর্ণ এবং দৃশ্যমান আকর্ষণীয় ডিজাইন তৈরির জন্য রঙ তত্ত্ব এবং সাদৃশ্য
বোঝা অপরিহার্য।
আমরা প্রাথমিকভাবে নিম্নোক্ত ৮টি
রং নিয়ে আমাদের হ্যান্ডপেইন্ট শুরু করতে পারিঃ
লাল
নীল
হলুদ
সবুজ
মেজেন্টা
কালো
বেগুনী
খয়েরী
এ রংগুলোর একটির সাথে আরেকটি মিশিয়ে
আমরা আরো অনেক ধরণের শেড বা রঙের ভেরিয়েশন তৈরি করে নিতে পারি।
২. ব্রাশ বা তুলিঃ
হ্যান্ডপেইন্ট করার জন্য বাজারে
বিভিন্ন ধরণের ব্রাশ বা তুলি পাওয়া যায়। এর মধ্যে রাউন্ড ব্রাশ উল্লেখযোগ্য। এ ধরণের
ব্রাশ দিয়ে আপনি পাতলা কাপড়ে বা কাগজে পেইন্ট করতে পারবেন। এছাড়া রয়েছে সিনথেটিক ব্রাশ,
যেগুলো দিয়ে কাগজে বা ক্যানভাসে পেইন্ট করা যায়। আর আপনি যদি তেল রং দিয়ে কাজ করতে
চান, তাহলে তেল রঙের জন্য আলাদা তুলি ক্রয় করে নিতে পারেন।
বাজারে বিভিন্ন ধরণের ও ব্রান্ডের
ব্রাশ পাওয়া যায়। এর মধ্যে রাব্বি সুপার ব্রাশ অন্যতম। এসব ব্রাশের আবার বিভিন্ন নাম্বার
রয়েছে, যেমনঃ ২,৪,৬,৮,১০,১২,১৪,১৬ ইত্যাদি। নাম্বারের মাণ যত বাড়বে, এর ব্রাশের সাইজও
তত বাড়বে। অর্থাৎ ২ নং ব্রাশটি চিকন আর ১৬ নং ব্রাশটি অনেক মোটা হবে। আপনার কাজের শুরুতে
মোটামুটি ১০টি ব্রাশ থাকলে ভালো হয়।
আমরা অনেক সময় কাপড় ভেজানেরা জন্য
বা ব্যাকগ্রাউন্ড দেয়ার জন্য ফ্লাট ব্রাশ ব্যবহার
করে থাকি। এ ব্রাশগুলো ১ ইঞ্চি থেকে ৩ ইঞ্চি বা প্রয়োজন অনুযায়ী ক্রয় করে নিতে পারেন।
৩. ফ্রেমঃ
আমরা ছোট কাপড়ের উপরের কাজ করার
জন্য ছোট ফ্রেম ব্যবহার করতে পারি। তবে শাড়ি বা বড় ওড়নার উপর কাজ করার জন্য বড় ফ্রেম
সংগ্রহ করতে হবে। বাজারে বিভিন্ন সাইজ ও দামের উপর নির্ভর করে অনেক রকমের ফ্রেম পাওয়া
যায়।
আপনি ঘরে বসে ২” বাই ১” কাঠের বিট
দিয়ে ফ্রেম তৈরি করে নিতে পারেন। বড় ফ্রেমের সাইজ সাধারণতঃ ৩৫” বাই ৫০” হয়ে থাকে। এ
ধরণের ফ্রেমে আপনি শাড়ি সহ যেকোন ডিজাইন অনায়াসে করতে পারবেন।
৪. এয়ারটাইট বাটিঃ
একবার কাজ করার পর অবশিষ্ট রং বা
আপনার নিজস্ব তৈরিকৃত রং সংরক্ষণের জন্য অবশ্যই এয়ারটাইট বাটি ব্যবহার করতে হবে। তাহলে
আপনার রঙের অপচয় কম হবে এবং দীর্ঘদিন ধরে আপনার রং ব্যবহার উপযোগি থাকবে।
৫. লাইন এবং ফর্মঃ
যে কোন ডিজাইনের ক্ষেত্রে লাইন
খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, ডিজাইন শুরু করার পূর্বেই আপনাকে আপনার সাবজেক্টের লাইন,
আকার ও সীমানা নির্ধারণ করে নিতে হবে। আপনার চিত্রটি আপনার ক্যানভাসের কতটুকু জায়গা
জুড়ে থাকবে ও কতটুকু জায়গা খালি থাকবে, তা পরিকল্পনার মধ্যে নিয়ে এসে একটি গঠন বা কাঠামো
ঠিক করে তুলি নিয়ে রঙ প্রয়োগ করা শুরু করতে হবে। লাইন ও ফর্মের যথার্থ প্রয়োগ একটি
ডিজাইনে গভীরতা যোগ করে, যা একজন শিল্পীকে বাস্তববাদ বা বিমূর্ততা তৈরিতে সহযোগিতা
করে।
৬. টেক্সচারঃ
ব্রাশের বিভিন্ন ধরণের স্ট্রোকের
মাধ্যমে এবং রঙের সংমিশ্রণ ঘটিয়ে বিভিন্ন ধরণের টেক্সাচার তৈরি করা যায়। টেক্সচার অনেক
সময় আপনার ক্যানভাসের বা কাপড়ের ব্যাকগ্রাউন্ড হিসেবেও ব্যবহৃত হয়ে থাকে। তাই এই উপাদানটি
হ্যান্ডপেইন্টিং এর ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটা সাধারণতঃ একের
পর এক রঙের স্তর বা লেয়ার দিয়ে তৈরি করতে হয়।
৭. আলো এবং ছায়াঃ
বাস্তবতা এবং গভীরতা যোগ করতে হ্যান্ডপেইন্টিং
প্রায়শই আলো এবং ছায়ার মধ্যে একটি সুনিপুণ সম্পর্ক তৈরি করতে হয়। শেডিং পেইন্টিংয়ের
নির্দিষ্ট অংশগুলিকে হাইলাইট করতে পারে এবং একটি শেড অন্য শেড থেকে আলো-ছায়ার ঘনত্বের
মাধ্যমে একটি সূক্ষ দূরত্ব তৈরি করে। ফলে পেইন্টিং এ একটি গতিশীল এবং ত্রিমাত্রিক প্রভাব তৈরি করতে সহায়তা
করে।
৮. রচনাঃ
প্রতিটি ডিজাইনের ক্ষেত্রেই পেইন্টিং
এর উপাদানগুলোকে তার ধরণ ও কল্পনা অনুযায়ী সাজিয়ে নিতে হয়। এই সাজানোর ভিতরে পেইন্টিং
এর সাবজেক্টের বা বিষয়ের স্থান নির্ধারণ করতে হয়, রঙের ভারসাম্য তৈরি করে নিতে হয়।
একটি ভালো রচনা বা কম্পোজিশন দর্শকের প্রথম দর্শনেই আকর্ষণ তৈরি করে।
৯. অভিব্যক্তি এবং আবেগঃ
হ্যান্ডপেইন্টিং হল আত্ম-প্রকাশের
একটি রূপ, এবং প্রতিটি স্ট্রোক বা রঙের পছন্দ শিল্পীর আবেগকে প্রতিফলিত করে। আপনার
ক্যানভাসটি প্রশান্ত, বিশৃঙ্খল, আনন্দদায়ক বা বিষন্ন হোক না কেন, আর্টওয়ার্কটি কীভাবে
গৃহীত হয় তা আবেগের সুর গভীরভাবে প্রভাবিত করতে পারে। তাই আপনার ডিজাইনে যথেষ্ঠ অভিব্যক্তি
ও আবেগ ফুটিয়ৈ তুলতে হবে।
১০. পার্সপেক্টিভ বা পরিপ্রেক্ষিতঃ পার্সপেক্টিভ বা পরিপ্রেক্ষিত মূলতঃ দেখার বা অনুভব করার বিষয়।
এটার মূল কথা হচ্ছে, কাছের জিনিস বড় দেখা এবং দূরের জিনিস ছোট দেখা। পার্সপেক্টিভ বা
পরিপ্রেক্ষিত আবার রঙ বা কালারের ক্ষেত্রেও দেখা যায়, যেমনঃ কাছের কালার উজ্জ্বল হবে
আবার দূরের কালার অনুজ্জ্বল হবে। তাই আপনার ডিজাইন করার সময় এই সাধারণ বিষয়টি খুবই
গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে রঙ প্রয়োগ করতে হবে।
হ্যান্ডপেইন্ট করার জন্য কী কী ক্যামিক্যালের ব্যবহার
হয়?
হ্যান্ডপেইন্ট করার জন্য সাধারণতঃ
নিম্নোক্ত ক্যামিক্যালসমূহ ব্যবহৃত হয়ে থাকেঃ
১. ডাইরেক্ট একরামিন কালারঃ এটাকে অনেকে শুধু একরামিন কালার, পাওয়ার কালার বা ব্লকের কালারও
বলে থাকে।
২. এন. কেঃ রঙকে
স্থায়ি ও পাতলা করার জন্য ব্যবহার করা হয়ে থাকে। কাপড়ের ধরণ ও কাজের মাণভেদে কখনও কখনও
এটা রঙের অর্ধেকও ব্যবহার করা লাগতে পারে।
৩. বাইন্ডারঃ সাদা
ও ভাতের মারের মত পাতলা একটি ক্যামিক্যাল। এটি রঙের স্থায়িত্ব ও রং মিশ্রণের সময় ব্যবহার
করতে হয়।
৪. হোয়াইট পেষ্টঃ যখন
আমরা ডার্ক কালার কাপড় বা গাঢ় কালার কাপড়ে হ্যান্ডপেইন্ট করতে চাই, তখন হোয়াইট পেষ্ট
ব্যবহার করতে হয়। অনেক সময় এটা সাদা রঙের বিকল্প হিসেবেও ব্যবহার করা যায়।
৫. নিউটেক্সঃ এটি
একটি ঘন পেষ্ট। সাধারণতঃ ব্লক প্রিন্ট বা স্ক্রিণ প্রিন্টের সময় ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
তবে কাজের ধরণ অনুযায়ী আমরা হ্যান্ড পেইন্টের ক্ষেত্রেও নিউটেক্স ব্যবহার করতে পারি।
৬. এপ্রিটনঃ এটা
এক ধরণের ঘন আঠা। এটাতে আঠার পরিমাণ অনেক বেশি। আমরা যখন এন কে, বাইন্ডার এর সাথে পানি
মিশিয়ে রঙ তৈরি করি, তখন রঙটা একটু ছেড়ে দিতে পারে অথবা কাপড়ে না-ও লাগতে পারে। তাই
আমরা যদি এপ্রিটন মিশিয়ে রঙ তৈরি করি, তাহলে এ সমস্যাটা আর থাকবেনা। আমরা প্রয়োজনভেদে
সর্বোচ্চ ২৫% এপ্রিটন ব্যবহার করতে পারি।
৭. বিভিন্ন ধরণের আপসান কালারঃ রঙের দোকানে আপনি গোল্ডেন, সিলভার অথবা মাল্টি কালার আপসান পাবেন,
যেগুলো ব্যবহার করে আপনার ডিজাইনে নতুনত্ব আনতে পারবেন।
এ ধরণের ক্যামিক্যালগুলো যে কোন ব্লক-বাটিকের উপাদান বিক্রয় করে এমন দোকানে পাওয়া যাবে। আজকাল অনলাইনের বিভিন্ন পেজেও আপনি অর্ডার করে ঘরে বসে এ ধরণের উপাদানগুলো সংগ্রহ করতে পারেন।
উপসংহারঃ
আপনাকে মনে রাখতে হবে, একটি ডিজাইনকে
প্রাণবন্ত করতে হলে একে সুন্দরভাবে সাজাতে হবে বা এর কম্পোজিশন ঠিক করতে হবে, এর পার্সপেক্টিভ
ঠিক করতে হবে। আবার কখনও কখনও সাবজেক্টের বিভিন্ন উপাদানের অনুপাতের সমন্বয়ের পাশাপাশি
আলোছায়া সঠিকভাবে ব্যবহার করতে হবে। যেকোন ডিজাইনের মধ্যে আপনাকে একটি সেন্ট্রাল ইন্টারেষ্টিং
পয়েন্ট বা আকর্ষণের মূল কেন্দ্র বিন্দু ঠিক করে নিয়ে ডিজাইন করতে হবে।
হ্যান্ডপেইন্টিং একটি নিরবধি, অভিব্যক্তিপূর্ণ
শিল্প মাধ্যম, যা প্রচুর সৃজনশীল স্বাধীনতার অনুভূতি নিয়ে করতে হয়। বিভিন্ন কৌশল আয়ত্ত
করে, মূল উপাদানগুলি বোঝা এবং ক্রমাগত অনুশীলন করে, আপনি আপনার শৈলী বিকাশ করতে পারেন
এবং আপনার অনন্য শৈল্পিক দৃষ্টিভঙ্গিকে প্রানবন্ত করতে পারেন।
আপনি একটি শখ হিসাবে পেইন্টিং করুন বা এটি পেশাগতভাবে
অনুসরণ করুন, হ্যান্ডপেইন্টিং শিল্পের সাথে একটি নিবিড় সম্পর্ক করার জন্য আপনাকে প্রচুর
সময় দিতে হবে, অধ্যবসায়ী হতে হবে। আমাদের ব্লগের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ। সবার জন্য
রইল অনেক অনেক শুভকামনা।




3 মন্তব্যসমূহ
Very informative and helpful article. Thanks for sharing such a nice article.
উত্তরমুছুনএত সুন্দরভাবে জ্ঞান শেয়ার করার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ।
উত্তরমুছুনলেখাটি পড়ে বোঝা যায় আপনি বিষয়টি ভালোভাবে রিসার্চ করেছেন। সত্যিই প্রশংসনীয়।
উত্তরমুছুন